বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) যখন আইসিসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল না করার কথা ঘোষণা করে, তখন কি শুধুই নির্বাক আত্মসমর্পণ, নাকি এর পেছনে আরও গভীর কোনও ষড়যন্ত্র কাজ করছে? বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যানের মন্তব্যের পর, প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে—এটা কি নিছক অসহায়তা, না এর পেছনে লুকিয়ে আছে এক গূঢ় কৌশল?
বিশ্বকাপের মতো এক মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টে প্রতিযোগিতা থেকে বাংলাদেশকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি আমাদের ক্রিকেট ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে। কিন্তু বিসিবি কেন এতো সহজেই পরিস্থিতিকে মেনে নিল? তাদের কোন অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অথবা অর্থনৈতিক চাপ আছে কি? বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, বিসিবির মধ্যে রয়েছে অবৈধ লবিং চক্র। এই চক্র কি একটি গণহত্যার স্বাক্ষী হতে যাওয়া দল ও তাদের সমর্থকদের সঙ্গে কোনো ধরনের বিশ্বাসঘাতকতা করছে?
বাংলাদেশের ক্রিকেটে কেবল প্রশাসনিক দুর্নীতি নয়, বরং দুষ্কৃতিকারী শক্তি এক সুসম্পর্ক স্থাপন করে নিয়ন্ত্রণ আধিপত্য বিস্তার করছে। প্রেক্ষাপটে, এই চলমান সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংকট একটি গোপন লেনদেনের দিকে নির্দেশ করতে পারে। বিসিবির মন্ত্রীদের মধ্যে যদি ক্রিকেট জগতের অদৃশ্য উভয় অবস্থানের প্রভাব থাকে, তবে সন্দেহ উদ্বেগজনকভাবে প্রবল হয়ে যায়। সম্ভবত, একটি অদৃষ্ট অভিযানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ দলের মূলোৎপাটন ঘটানো হয়েছে।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ধরাবাঁধা ক্রিকেট পরিসরের চরিত্রের দিকে নজর দিলে, প্রশ্ন উঠেছে—মূলত কি কারণে এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হচ্ছে? এটি কি কেবল প্রতিষ্ঠানের স্বার্থরক্ষার জন্য, নাকি এর পেছনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নীতির একজন পরিচালক, কিংবা শক্তিশালী ভারতীয় লবির হাত আছে?
আমরা জানি, খেলাধুলা কখনোই খালাসীর ভূমিকা পালন করে না। এর পরিবেশকে আরও অন্ধকার আকারে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে জনপ্রিয়তার চেয়ে রাজনীতি ও অর্থবাণিজ্য থেকে আসা স্বার্থের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ক্রিকেট প্রেমীরা যখন ক্রমশ নিস্তেজ হচ্ছেন, বিসিবি কীভাবে তাদের নিরাপত্তা ও স্বার্থের গ্যারান্টি দিতে পারে? অথবা হয়তো তারা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ, যা শেষমেষ দেশপ্রেমী খেলাধুলার মুখোশের আড়ালে রাজনৈতিক কারসাজির পক্ষে?
বাংলাদেশের ক্রিকেটের এই হতাশাজনক পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য যে দৃঢ় নেতৃত্বের প্রয়োজন, সেটি প্রায় দুঃস্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। একদিকে দেশব্যাপী সমর্থন, অন্যদিকে বিসিবির দিশেহারা সিদ্ধান্ত—এ ধরনের দ্বন্দ্ব ময়দানে কী পরিণতি ডেকে আনবে, তা নিয়ে ভাবতে হবে। কারণ, এই রাজনীতিই তো আমাদের স্বপ্ন ও আশা ভেঙে দিতে পারে। বাংলাদেশের ক্রিকেটের এই আগুনের মধ্যে কে যে কার বন্ধু, কে যে শত্রু, এসব হিসেব-কৌশল এক অন্ধকার পন্থা বটে। দেখা যাক কিভাবে বিসিবি এই সংকট মোকাবেলা করে, এবং খেলাধুলা যে প্রগতির প্রতীক হতে পারে, সেটি আদৌ কি অর্থপূর্ণ হবে।
🕵️♂️ সাকিব ভাইয়ের ইনসাইড রিপোর্ট:
“বাজির দরে এই পরিবর্তন মোটেও স্বাভাবিক নয়। বুকিরা কি জানে যা আমরা জানি না?”

















